বচনের বিরোধিতা ও বিরূপতা MCQ Question PDF | H.S Philosophy West Bengal Board

বচনের বিরোধিতা ও বিরূপতা MCQ PDF

     ❐ আরো পড়ুনঃ

❍ বচনের বিরোধিতা ও বিরূপতা : অধ্যায়ের সংক্ষেপে আলোচনা 

❍ বিপরীত বিরোধিতা : 
অভিন্ন উদ্দেশ্য-বিধেয়বিশিষ্ট দুটি সামান্য বচনের গুণের পার্থক্যকে বিপরীত বিরোধিতা বলা হয়।

❍ অধীন-বিপরীত বিরোধিতা: 
অভিন্ন উদ্দেশ্য-বিধেয়যুক্ত দুটি বিশেষ বচনের গুণের পার্থক্যকে অধীন-বিপরীত বিরোধিতা বলা হয়।

❍ বিরুদ্ধ বিরোধিতা : 
অভিন্ন উদ্দেশ্য ও বিধেয়যুক্ত দুটি নিরপেক্ষ বচনের গুণ ও পরিমাণের পার্থক্যকে বিরুদ্ধ বিরোধিতা বলা হয়।

❍ অসম বিরোধিতা : 
অভিন্ন উদ্দেশ্য-বিধেয়যুক্ত দুটি নিরপেক্ষ বচনের কেবল পরিমাণগত পার্থক্যকে অসম বিরোধিতা বলা হয়।

❐ নিরপেক্ষ বচনের পারস্পরিক বিরোধিতার সম্বন্ধ :
  1. বিপরীত বিরোধিতা : A ↔ E
  2. অধীন-বিপরীত বিরোধিতা : I ↔ O
  3. বিরুদ্ধ বিরোধিতা : A ↔ O, E ↔ I
  4. অসম বিরোধিতা : A ↔ I, E ↔ O
❐ প্রচলিত যুক্তিবিজ্ঞানে ‘বিরোধিতা’ কথাটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহার করা হয়। সংকীর্ণ অর্থে মনে করা হয় দুটি বচনের সত্যমূল্য এক হলে তাদের মধ্যে বিরোধিতার সম্বন্ধ থাকতে পারে না কারণ দুটি বচন একইসঙ্গে সত্য বা মিথ্যা হলে তাদের মধ্যে বিরোধিতা সম্পর্ক হতে পারে না।

একটি বচনের সত্যমূল্য থেকে অপর বচনের সত্যমূল্য নির্ণয় :
প্রথমে প্রদত্ত বাক্য (যার সত্যমূল্য দেওয়া আছে অর্থাৎ হেতুবাক্য) এবং নির্ণেয় বাক্য (যার সত্যমূল্য বার করতে হবে অর্থাৎসিদ্ধান্ত) দুটিকে তর্কবিদ্যাসম্মত বা যুক্তিবিজ্ঞানসম্মত বচনে রূপান্তর করতে হবে। এবার দেখতে হবে বচন দুটি বিরোধিতার কোন্ সম্পর্কযুক্ত। তো সেই বিশেষ বিরোধিতার নিয়মের উপর ভিত্তি করে হেতুবাক্যের সত্যমূল্য দেখে সিদ্ধান্তের সত্যমূল্য নির্ণয় করতে হবে। যদি কোনো প্রদত্ত বচন ও নির্ণেয় বচনের উদ্দেশ্য ও বিধেয়-কে এক না করা হয় তাহলে প্রথম কাজ হবে বচন দুটির উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে এক করা, তার জন্য আবর্তন ও বিবর্তনকে প্রয়োজন মতো প্রয়োগ করতে হবে। প্রদত্ত বচন (হেতুবাক্য) ও নির্ণেয় বচন (সিদ্ধান্ত)-এর উদ্দেশ্য বিধেয়কে অভিন্ন করে আনা যায় তিনটি উপায়ে 

  1. প্রদত্ত বচনের উদ্দেশ্য-বিধেয়কে অপরিবর্তিত রেখে নির্ণেয় বচনের উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে এমনভাবে পরিবর্তন করতে হবে যাতে প্রদত্ত বচনের উদ্দেশ্য ও বিধেয়র সঙ্গে এক হয়।
  2. নির্ণেয় বচনের উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে অপরিবর্তিত রেখে প্রদত্ত বচনের উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে পরিবর্তন করে নির্ণেয় বচনের উদ্দেশ্য ও বিধেয়র সঙ্গে এক করে আনা।
  3. যদি দেখা যায় এই দুটি উপায়ের একটির দ্বারাও হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য-বিধেয় এক হচ্ছে না তাহলে প্রদত্ত বচন ও নির্ণেয় বচন দুটিকেই পরিবর্তন করে এমন দুটি বচনে আনতে হবে যাদের উদ্দেশ্য ও বিধেয় এক।
যে-কোনো পদ্ধতিতেই হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে এক করে আনা হোক-না-কেন, পরিবর্তিত বচনটি মূল বচনের সমার্থক হয়। ফলে পরিবর্তিত সর্বশেষ বচনটির যে সত্যমূল্য তা দিয়েই মূল বচনের সত্যমূল্য নির্ণয় করতে হয়।

মূল বক্তব্য : কোনো স্তরেই A বচনের আবর্তন করা যাবে না কারণ A বচনের অ-সরল আবর্তন হয় এবং অ-সরল আবর্তন কখনও সমার্থক হয় না। যদি প্রদত্ত বচন ও নির্ণেয় বচনের গুণ ও পরিমাণ এক হয় (উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে এক করে আনার পর) তাহলে সেক্ষেত্রে বচন দুটির সম্পর্ক হবে তাদাত্ম্য (Identity) এবং তাদের সত্যমূল্য এক হবে। আর যদি কোনোভাবেই বচন দুটির উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে এক করা না যায়, সেক্ষেত্রে বচন দুটিকে স্বতন্ত্র (Independent) বলতে হবে এবং এক্ষেত্রে একটি বচন থেকে অপর বচনের সত্যমূল্য নির্ণয় অসম্ভব হবে।


Download File

Hi Welcome ....

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post