Page Nav

HIDE

Grid

GRID_STYLE

Top Ad

Breaking News:

latest

Wb class 10 geography chapter 1 notes

Q1. নিম্নভূমির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়— (ক) আরোহণ প্রক্রিয়ায় (খ) অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় (গ) অবরোহণ প্রক্রিয়ায় (ঘ) নগ্নীভবন প্রক্রিয়ায় Answer. ...

Q1. নিম্নভূমির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়—
(ক) আরোহণ প্রক্রিয়ায়
(খ) অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায়
(গ) অবরোহণ প্রক্রিয়ায়
(ঘ) নগ্নীভবন প্রক্রিয়ায়
Answer. (গ) অবরোহণ প্রক্রিয়ায়

Q2. এর মধ্যে কোটি ভূমিরূপ পরিবর্তনের স্থিতিশীল প্রক্রিয়া—
(ক) বায়ু
(খ) নদী
(গ) হিমবাহ
(ঘ) অধঃক্ষেপণ
Answer. (ঘ) অধঃক্ষেপণ

Q3. কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের নীচু স্থান ভরাট হয়ে উঁচু হয়—
(ক) অবরোহণ
(খ) পর্যায়ন
(গ) আরোহণ
(ঘ) নগ্নীভবন
Answer. (গ) আরোহণ

Q4. যে প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি ভূপৃষ্ঠের ওপর কাজ করে ভূমিরূপের পরিবর্তন ঘটায়, তাকে বলে—
(ক) বহির্জাত প্রক্রিয়া
(খ) অন্তর্জাত প্রক্রিয়া
(গ) গিরিজনি আলোড়ন
(ঘ) মহিভাবক আলোড়ন
Answer. (ক) বহির্জাত প্রক্রিয়া

Q5. যে প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় তাকে বলে?
(ক) নগ্নীভবন প্রক্রিয়া
(খ) অবরোহণ প্রক্রিয়া
(গ) আবহবিকার প্রক্রিয়া
(ঘ) আরোহণ প্রক্রিয়া
Answer. (খ) অবরোহণ প্রক্রিয়া

Q6. যে প্রক্রিয়ায় অভিকর্ষের টানে উচ্চভূমির ঢাল বরাবর মাটি ও শিলাস্তর নেমে আসে তাকে বলে—
(ক) পুঞ্জাক্ষয় প্রক্রিয়া
(খ) পর্যায়ন প্রক্রিয়া
(গ) অন্তর্জাত প্রক্রিয়া
(ঘ) আবহবিকার
Answer. (ক) পুঞ্জাক্ষয় প্রক্রিয়া

Q7. বহির্জাত প্রক্রিয়ার শক্তিগুলি কাজ করে—
(ক) ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগে
(খ) ভূপৃষ্ঠের ভিতরে
(গ) মহাশূন্যে
(ঘ) সমুদ্রতলদেশে
Answer. (ক) ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগে

Q8. নদী, হিমবাহ, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি হল ভূমিরূপ পরিবর্তনের—
(ক) মহাজাগতিক প্রক্রিয়া
(খ) জৈবিক প্রক্রিয়া
(গ) বহির্জাত প্রক্রিয়া
(ঘ) অন্তর্জাত প্রক্রিয়া
Answer. (গ) বহির্জাত প্রক্রিয়া

Q9.যে-প্রক্রিয়ায় ক্ষয়জাত পদার্থ ভূপৃষ্ঠের নীচু অংশে সঞ্চিত হয়, তা হল—
(ক) পর্যায়ন
(খ) আরোহণ
(গ) অবরোহণ
(ঘ) বিচূর্ণীভবন
Answer. (খ) আরোহণ

Q10. কোন প্রক্রিয়ার দ্বারা ভূমির ঢাল সুষম হয়—
(ক) অধঃক্ষেপণ
(খ) আরোহণ
(গ) অবরোহণ
(ঘ) পর্যায়ন
Answer. (ঘ) পর্যায়ন

Q11. অবরোহণ ও আরোহণ প্রক্রিয়ার সম্মিলিত ফল হল—
(ক) ক্ষয়ীভবন
(খ) বিচূর্ণীভবন
(গ) পর্যায়ন
(ঘ) নগ্নীভবন
Answer. (গ) পর্যায়ন

Q12. আবহবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয় ও ক্ষয়ীভবনকে একত্রে বলে?
(ক) অঙ্গারযোজন
(খ) মহিভাবক প্রক্রিয়া
(গ) গিরিজনি প্রক্রিয়া
(ঘ) নগ্নীভবন
Answer. (ঘ) নগ্নীভবন

Q13. কোন বহির্জাত শক্তিটি ভূমিরূপ পরিবর্তনে সর্বাধিক ভূমিকা নেয়?
(ক) নদী বা জলধারা
(খ) হিমবাহ
(গ) বায়ুপ্রবাহ
(ঘ) সমুদ্রতরঙ্গ
Answer. (ক) নদী বা জলধারা

Q14. প্লাবনভূমি, বদ্বীপ, বালিয়াড়ি ইত্যাদি ভূমিরূপ কোন পদ্ধতিতে সৃষ্টি হয়?
(ক) বিচূর্ণীভবন
(খ) যান্ত্রিক আবহবিকার
(গ) আরোহণ
(ঘ) অবরোহণ
Answer. (গ) আরোহণ

Q15. ভূপৃষ্ঠের সমতলীকরণ ঘটার প্রক্রিয়া হল—
(ক) আরোহণ
(খ) পর্যায়ন
(গ) নগ্নীভবন
(ঘ) অবরোহণ
Answer. (খ) পর্যায়ন

Q16. বিভিন্ন সঞ্চয়জাত ভূমিরূপ গঠিত হয় যে পদ্ধতিতে তা হল—
(ক) পুঞ্জাক্ষয়
(খ) অবরোহণ
(গ) আরোহণ
(ঘ) পর্যায়ন
Answer. (গ) আরোহণ

Q17. ভূমির ক্ষয় ও সঞ্চয়কার্যের মধ্যে যখন সাম্য অবস্থা বিরাজ করে তখন সেই ভূমিকে বলা হয়?
(ক) পর্যায়িত ভূমি
(খ) উচ্চভূমি
(গ) পাদসমভূমি
(ঘ) প্লাবনভূমি
Answer. (ক) পর্যায়িত ভূমি

Q18. কোন প্রক্রিয়াটির সঙ্গে ‘ক্ষয়' শব্দটি সর্বাধিক সম্পর্কযুক্ত—
(ক) অবরোহণ
(খ) পর্যায়ন
(গ) আরোহণ
(ঘ) আবহবিকার
Answer. (ক) অবরোহণ

Q19. কোন প্রক্রিয়ায় আবহবিকারগ্রস্ত পদার্থ ও শিলাস্তর অভিকর্ষের টানে নেমে আসে—
(ক) পুঞ্জিত ক্ষয়
(খ) পর্যায়ন
(গ) আবহবিকার
(ঘ) ক্ষয়ীভবন
Answer. (ক) পুঞ্জিত ক্ষয়

Q20. শিলা যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চূর্ণবিচূর্ণ ও বিয়োজিত হওয়ার প্রক্রিয়া হল—
(ক) ক্ষয়ীভবন
(খ) আবহবিকার
(গ) পর্যায়ন
(ঘ) নগ্নীভবন
Answer. (খ) আবহবিকার

Q21. বর্তমানে মেরু অঞ্চলে কোন শক্তির মাধ্যমে ভূমিরূপ পরিবর্তন সর্বাধিক ঘটে?
➛ হিমবাহ।
Q22. উপকূল অঞ্চলে কোন শক্তি বেশি প্রভাবশালী?
➛ সমুদ্রতরঙ্গ।
Q23 . আবহবিকারজাত পদার্থসমেত অন্যান্য পদার্থসমূহ যখন ভূমির ঢাল বরাবর অভিকর্ষের টানে নীচের দিকে নেমে আসে, তখন তাকে কী বলে?
➛ পুঞ্জিত ক্ষয় বা পুঞ্জাক্ষয়।
Q24. বহির্জাত প্রক্রিয়ার শক্তিগুলির মূল উৎস কোনটি?
➛ সূর্য বা সৌরশক্তি।
Q25. অবরোহণ ও আরোহণের সম্মিলিত ফল কী নামে পরিচিত?
➛ পর্যায়ন।
Q26. শিলার খনিজ গঠন কোন্ প্রকার আবহবিকারের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়?
➛ রাসায়নিক আবহবিকার।
Q27. নদীক্ষয়ের সর্বশেষ সীমা কোথায়?
➛ সমুদ্রপৃষ্ঠ বা সমুদ্রতল।
Q2৪. 'গ্রেড' (Grade) শব্দটি প্রথম কে ব্যবহার করেন?
➛ GK Gilbert
Q29. যে উচ্চভূমি দুটি নদী ব্যবস্থাকে পৃথক করে তার নাম লেখো।
➛ জলবিভাজিকা। 
 
𒄬𒄬 শূন্যস্থান পূরণ করো :
1. আবহবিকারের ফলে সৃষ্ট শিথিল শিলাচূর্ণ গঠিত স্তরকে রেগোলিথ বলে।
2. আরোহণের বিপরীত প্রক্রিয়া হল অবরোহণ
3. গ্রেডেশান বা পর্যায়ন শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন চেম্বারলিন ও সলিসবেরি
4. ক্ষয়কারী শক্তিগুলি ভূপৃষ্ঠের নীচে যতটা পর্যন্ত ক্ষয় করতে পারে, তাকে বলে ক্ষয়সীমা। 
5. ক্ষয়সীমা ধারণার প্রবর্তক হলেন পাওয়েল। 
6. আবহবিকার ও ক্ষয়কার্যের যৌথ কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিভাগের পরিবর্তন করার প্রক্রিয়াকে নগ্নীভবন বলা হয়
7. অভিকর্ষজ বলের প্রভাবে ভূমিরূপ পরিবর্তনকারী শক্তিগুলি ভূপৃষ্ঠকে ক্ষয় করে।
৪. বিভিন্ন ধরনের বহির্জাত শক্তির দ্বারা ভূমিভাগের সমতলীকরণ ঘটলে তাকে পর্যায়ন বলে

𒄬𒄬 শুদ্ধ  এবং অশুদ্ধ লেখো :
1. অবরোহণ ও আরোহণ প্রক্রিয়ার পরবর্তী অবস্থা হল পর্যায়ন।
➛ শুদ্ধ।
2. নগ্নীভবন প্রক্রিয়াতে শিলা চূর্ণবিচূর্ণ হলেও স্থানান্তরিত হয় না।
➛ অশুদ্ধ।
3. আরোহণ প্রক্রিয়ায় ভূমির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।
➛ শুদ্ধ।
4. অবরোহণ প্রক্রিয়ার অপর নাম হল নগ্নীভবন।
➛ শুদ্ধ।
5. ভূমিরূপ পরিবর্তনকারী শক্তিগুলির মূল উৎস হল সৌরশক্তি।
➛ শুদ্ধ।
6. বায়ুপ্রবাহ অবরোহণ ও আরোহণ প্রক্রিয়ার ভূমিরূপের পরিবর্তন ঘটায়।
➛ শুদ্ধ।
7. বহির্জাত প্রক্রিয়ায় ভূমির পরিবর্তন ঘটে অত্যন্ত ধীরে।
➛ শুদ্ধ।
৪. আবহবিকার এক ধরনের স্থৈতিক প্রক্রিয়া।
➛ শুদ্ধ।
9. কেবল বহির্জাত শক্তিগুলিই ভূমিরূপের পরিবর্তন ঘটায়।
➛ অশুদ্ধ।
10. ভূমিরূপ পরিবর্তনে অন্তর্জাত ও বহির্জাত শক্তি সমান গুরুত্বপূর্ণ।
➛ শুদ্ধ।


Q1. ক্ষয়সীমা কাকে বলে?
➛ ক্ষয়কারী শক্তিগুলি ভূপৃষ্ঠের নীচে যতটা পর্যন্ত ক্ষয় করতে পারে, তা হল ক্ষয়সীমা। সীমানা : সাধারণভাবে সমুদ্রতল হল শেষ ক্ষয়সীমা। তবে স্থানীয়ভাবে স্থানীয় ক্ষয়সীমা অবস্থান করে। যেমন— মরুভূমিতে প্লায়াহ্রদ ও ভৌমজলপীঠ (water-table) হল স্থানীয় ক্ষয়সীমা। J W Powell হলেন ক্ষয়সীমা ধারণার প্রবর্তক।

Q2. ক্ষয়ীভবন ও পুঞ্জিত ক্ষয়ের মূল পার্থক্য কী?
➛পার্থক্য : ভূপৃষ্ঠস্থ বিভিন্ন শক্তির মাধ্যমে পদার্থের অপসারণ হল ক্ষয়ীভবন। অপরদিকে অভিকর্ষজ বলের প্রভাবে ভূমির ঢাল বরাবর পদার্থ নেমে আসা হল পুঞ্জিত ক্ষয়। 
পুঞ্জিত ক্ষয়ে পদার্থ অপসারণে অভিকর্ষজ বল মুখ্য ভূমিকা নেয় বলে এটি ক্ষয়ীভবনের অংশ নয়, তবে পুঞ্জিত ক্ষয় ক্ষয়ীভবনকে ত্বরান্বিত করে।

Q3. ভূমিরূপ অঞ্চল বলতে কী বোঝায়?
➛ যে বিশেষ ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চলে ভূমিরূপ পরিবর্তনকারী শক্তি বা শক্তিসমূহ একক বা সম্মিলিতভাবে ক্ষয়, বহন, সঞ্জয়ের মাধ্যমে ভূমির পরিবর্তন ঘটায় সেই অঞ্চল হল ভূমিরূপ অঞ্চল বা Morphogenetic region। লুইস পেলচিয়ার (L Peltier) পৃথিবীকে 7টি ভূমিরূপ অঞ্চলে ভাগ করেন। উদাহরণ : মরুভূমি হল বায়ু কার্য ভূমিরূপ অঞ্চল, চিরতুষারাবৃত্ত অঞ্চল এবং হিমবাহকার্য অঞ্চল।

Q4. বহির্জাত প্রক্রিয়ার সাথে জলবায়ুর সম্পর্ক লেখো।
অথবা, ভূমিরূপ পরিবর্তনে জলবায়ুর ভূমিকা কী?
➛ কোনো অঞ্চলে ভূমিরূপ পরিবর্তনে কোনো ক্ষয়কারী শক্তি মুখ্য ভূমিকা নেবে তা উয়তা, আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভর করে। উদাহরণ : (i) উয়-আর্দ্র অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অধিক বলে জলধারা বা নদী, (ii) মরুভূমিতে উন্নতার অধিক তারতম্য ও উদাহরণ : মরুভূমি হল বায়ুকার্য ভূমিরূপ অঞ্চল, চিরতুষারাবৃত বৃষ্টিহীন বলে বায়ু, (iii) উচ্চ অক্ষাংশে উষ্ণতা হিমাঙ্কের নীচে বলে অঞ্চল হল হিমবাহকাৰ্য অঞ্চল। হিমবাহ, (iv) হিমরেখা বরাবর হিমবাহ ও জলধারা সম্মিলিতভাবে ভূমির পরিবর্তন ঘটায়।

Q5. অবরোহণ প্রক্রিয়া (Degradation) কাকে বলে?
➛ যে প্রক্রিয়ায় ক্ষয়কার্যের মাধ্যমে উঁচুভূমির উচ্চতা হ্রাস পেয়ে ধীরে ধীরে নীচু হয় তা হল অবরোহণ প্রক্রিয়া এটি ‘নগ্নীভবন’ নামেও পরিচিত। প্রকৃতি : এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই উঁচু ভূমি মসৃণ হওয়ার প্রবণতা লাভ করে। শক্তিসমূহ : আবহবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয় ও ক্ষয়ীভবনের শক্তিসমূহের মাধ্যমে অবরোহণ প্রক্রিয়া কার্যকর হয়।

Q6. আরোহণ প্রক্রিয়া (Aggradation) কাকে বলে?
➛ অবরোহণ প্রক্রিয়ায় উচ্চভূমি ক্ষয়ে সৃষ্ট পদার্থ নীচু অংশে সঞ্চিত ও ভরাট হয়ে ভূমির উচ্চতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়া হল অবরোহণ এটি ‘সঞ্চয়' নামেও পরিচিত। প্রকৃতি : এই প্রক্রিয়ায় নীচু ভূমিভাগ ভরাট হয়ে ভূমি মসৃণ হওয়ার প্রবণতা লাভ করে। শক্তিসমূহ : আবহবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয়, ক্ষয়ীভবনের শক্তিসমূহই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অবরোহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।

Q7. অবরোহণ ও আরোহণের মূল পার্থক্য কী?
➛ পার্থক্য : অবরোহণ প্রক্রিয়ায় ক্ষয়ের মাধ্যমে উঁচু ভূমির উচ্চতা হ্রাস পায় ও নীচু হয় এবং আরোহণ প্রক্রিয়ায় সঞ্জয়কার্যের মাধ্যমে নীচু ভূমি ভরাট হয়ে ভূমির উচ্চতা বৃদ্ধি করে। তবে এই দুই প্রক্রিয়া একে অপরের পরিপূরক এবং দুই প্রক্রিয়া সম্মিলিতভাবে কাজ করে ভূমিকে সমতলে পরিণত করে।

Q8. পর্যায়িত ভূমি (Graded Landform) কাকে বলে?
➛ যখন কোনো ভূমিরূপের মধ্যে ক্ষয় ও সঞ্চয়ের মধ্যে সাম্য অবস্থা বিরাজ করে তখন সেই অবস্থাকে বলা হয় ‘পর্যায়িত অবস্থা’ এবং ভূমিভাগটিকে পর্যায়িত ভূমি। ‘পর্যায়িত অবস্থা ধারণার প্রবর্তক হলেন জি. কে গিলবার্ট। প্রক্রিয়া : অবরোহণ ও আরোহণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভূমি পর্যায়িত অবস্থা প্রাপ্ত হওয়ার প্রবণতা লাভ করে।

Q9. আবহবিকার (Weathering) কাকে বলে?
➛ আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান, যেমন—উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত ইত্যাদির দ্বারা ভূপৃষ্ঠের শিলাসমূহের যান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিচূর্ণন ও রাসায়নিক পদ্ধতিতে বিয়োজন হওয়াকে আবহবিকার বলে। পদ্ধতি : আবহবিকার যান্ত্রিক, রাসায়নিক ও জৈবিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়। প্রভাব : শিলা আবহবিকারগ্রস্ত হলে পুঞ্জিত ক্ষয় ও ক্ষয়ীভবনের কাজ দ্রুততার সাথে ঘটে।

Q10. ক্ষয়ীভবন (Erosion) কী ?
➛ ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন ক্ষয়কারী শক্তির দ্বারা পদার্থের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অপসারিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ক্ষয়ীভবন বলা হয়। প্রকৃতি : এটি একটি গতিশীল প্রক্রিয়া এবং ক্ষয়ীভবনের মাধ্যমে পদার্থের স্থান পরিবর্তন ঘটে। শক্তিসমূহ : নদী বা জলধারা, হিমবাহ, সমুদ্রতরঙ্গ, বায়ু প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তি ক্ষয়ীভবনে অংশগ্রহণ করে।

Q11. পুঞ্জিত ক্ষয় (Mass wasting) কাকে বলে?
➛ উচ্চভূমির ঢালের মৃত্তিকা, শিলাস্তর ও অন্যান্য পদার্থসমূহ অভিকর্ষের টানে ঢাল বেয়ে নীচে নেমে আসার ঘটনাকে পুঞ্জিত ক্ষয় বা পুঞ্জিত স্থানান্তর বলে। প্রকৃতি : পুঞ্জিত ক্ষয় কিন্তু ক্ষয়কার্যের কোনো প্রক্রিয়া নয়, তবে ক্ষয়কাজকে ত্বরান্বিত করে।

Q12.নগ্নীভবন (Denudation) কাকে বলে?
➛আবহবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয় এবং ক্ষয়ীভবন—এই তিনটি পদ্ধতির যৌথ ক্রিয়াশীলতায় ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগের শিলাস্তর ক্ষয়ীভূত হয়ে অপসারিত হয় এবং নীচের শিলাস্তর উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। এই প্রক্রিয়াকেই নগ্নীভবন বলে। যেমন : নগ্নীভবন = আবহবিকার + পুঞ্জিত ক্ষয় + ক্ষয়ীভবন। 

Q13. বহির্জাত ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়ার শক্তি গুলি কী কী?
➛ বহির্জাত ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়ার শক্তি ও প্রক্রিয়াগুলি হল আবহবিকার, নদী বা জলধারা, হিমবাহ, বায়ু, সমুদ্রতরঙ্গ, ভৌমজল, জোয়ারভাটা, সুনামি ইত্যাদি। প্রকৃতি : এগুলি কোথাও এককভাবে এবং কোথাও সম্মিলিতভাবে ধীরে ধীরে ভূমির পরিবর্তন ঘটায়। 
বহির্জাত প্রক্রিয়ার মাধ্যমসমূহ : (i) স্থির বা স্থিতিশীল প্রাকৃতিক শক্তি (আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানসমূহ : যেমন—উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত) এবং (ii) গতিশীল প্রাকৃতিক শক্তি (নদনদী, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ, সমুদ্রতরঙ্গ, জোয়ারভাটা, সুনামি, পুঞ্জিত ক্ষয় ইত্যাদি)।

Q14. পর্যায়ন বা পর্যায়ন প্রক্রিয়া (Gradation) কাকে বলে?
➛ ক্ষয়সীমার সাপেক্ষে অসমতল ও বন্ধুর ভূমিক্ষয়, বহন ও সঞ্চয়ের মাধ্যমে সমতলে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে পর্যায়ন বলা হয়। প্রকৃতি : অবরোহণ ও আরোহণ প্রক্রিয়ার সম্মিলিত ফল হল পর্যায়ন। নামকরণ : ক্ষয়চক্র প্রসঙ্গে GK Gilbert যে 'Grade' শব্দটি ব্যবহার করেন সেখান থেকেই পরবর্তী সময়ে Chamberlin এবং Salisbury নামক দুই ভূবিজ্ঞানী প্রথম ‘পর্যায়ন’ বা 'Gradation' শব্দটি ব্যবহার করেন।

Q15. কোন দুটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পর্যায়ন প্রক্রিয়া কার্যকর হয়?
➛ বিষয় : অবরোহণ এবং আরোহণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পর্যায়ন প্রক্রিয়া কার্যকর হয়। পদ্ধতি : অবরোহণ প্রক্রিয়ায় ক্ষয়কার্যে ভূমিভাগ নীচু হয় এবং আরোহণে সঞ্জয়কার্যে ভূমিভাগ উঁচু হয়ে  সমতলে পরিণত হয় যা পর্যায়ন।

Q1. অবরোহণ প্রক্রিয়া কোন কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংঘটিত হয়?
➛ আবহবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয় ও ক্ষয়ীভবন—এই তিনটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অবরোহণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হয়।
(i) আবহবিকার : আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তর যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চূর্ণবিচূর্ণ ও রাসায়নিক পদ্ধতিতে বিয়োজিত হলে তাকে আবহবিকার বলে। আবহবিকারের প্রভাবে শিলার ভৌত-রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটলেও স্থান পরিবর্তন ঘটে না। আবহবিকার তিনভাবে ঘটে—(a) যান্ত্রিক আবহবিকার, (b) রাসায়নিক আবহবিকার, (c) জৈব আবহবিকার। আবহবিকারের প্রভাবে শিলান্তর দুর্বল ও শিথিল হয় বলেই পুঞ্জিত ক্ষয় ও ক্ষয়ীভবনের কাজ সহজ হয়।

(ii) পুঞ্জিতক্ষয় : উচ্চভূমির চালের মুক্তিকা, শিলার ও অন্যান্য পদার্থসমূহ অভিকর্ষের টানে ঢাল বরাবর নেমে এলে তাকে পুঞ্জিত ক্ষয় বলে। পুঞ্জিত ক্ষয় কিন্তু ক্ষয়ীভবনের অংশ নয় তবে ক্ষয়ীভবনকে ত্বরান্বিত করে।

(iii) ক্ষয়ীভবন : বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের পদার্থের স্থান পরিবর্তন হল ক্ষয়ীভবন। জলধারা বা নদী, বায়ু, হিমবাহ, সমুদ্রতরঙ্গ, ভৌমজল প্রভৃতি শক্তির মাধ্যমে ক্ষয়ীভবন ঘটে। ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়াসমূহ জলবায়ুর ওপর নির্ভরশীল বলে বিভিন্ন জলবায়ু অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন ক্ষয়ীভবনের প্রক্রিয়া দেখা যায়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ভূপৃষ্ঠের সমতলীকরণ ঘটে।

Q2. আরোহণ প্রক্রিয়ার বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।
➛ আরোহণ প্রক্রিয়ার বৈশিষ্ট্যগুলি হল— (i) প্রকৃতি : আরোহণ প্রক্রিয়ার প্রভাবে ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন হয় অত্যন্ত ধীরে এবং এর প্রভাবে সঞ্জয়কার্যের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় এবং নীচু ভূমি উঁচু হয়। (ii) কার্যকরী : অঞ্চল ভূপৃষ্ঠের নীচু অংশে এই প্রক্রিয়া কার্যকর। (iii) প্রক্রিয়াসমূহ: ক্ষর্ণীভবনের প্রক্রিয়াসমূহ (নদী, বায়ু, হিমবাহ ইত্যাদি) সঞ্জয়কার্যের মাধ্যমে আরোহণ প্রক্রিয়া ঘটায়। (iv) অনুভূমিরূপ : আরোহণের প্রক্রিয়াসমূহ ভূপৃষ্ঠের ওপর বিভিন্ন অনুভূমিরূপ গড়ে তোলে।

Q3. পর্যায়ন বলতে কী বোঝায় ?
অথবা, পর্যায়ন প্রক্রিয়ার বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।
➛ যে প্রক্রিয়ায় অসমতল বা বন্ধুর ভূমি ক্ষয়সীমার সাপেক্ষে সমতলে পরিণত হয় তা হল 'পর্যায়ন' বা 'ক্রমায়ন'। ১৮৭৬ সালে 'ভৌগোলিক ক্ষয়চক্রের' আলোচনা প্রসঙ্গে GK Gilbert যে 'Grade' শব্দটি ব্যবহার করেন সেখান থেকেই পরবর্তীকালে ১৯০৯ সালে চেম্বারলিন ও সলিসবেরি Gradation' বা 'পর্যায়ন’ বা 'ক্রমায়ন' শব্দটি প্রয়োগ করেন।

𒄬 বৈশিষ্ট্য : (i) অবরোহণ ও আরোহণ প্রক্রিয়ার সম্মিলিত ফল হল পর্যায়ন। (ii) এই প্রক্রিয়ায় ক্ষয়সীমার সাপেক্ষে ভূমি সমতলে পরিণত হওয়ার প্রবণতা লাভ করে। (iii) ভূপৃষ্ঠ পরিবর্তনকারী প্রক্রিয়াসমূহ (আবহবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয় ও ক্ষয়ীভবন পর্যায়ন প্রক্রিয়া ঘটায়। (iv) পর্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষয়, বহন ও সঞ্জয়কার্যে ভারসাম্য আসে এবং যে ভূমিতে এই ভারসাম্য বিরাজমান তা হল পর্যায়িত ভূমি।

Q4. অবরোহণ, আরোহণ ও পর্যায়নের আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।
➛ অবরোহণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের কোনো উঁচু স্থান ক্রমাগত ক্ষয়ের ফলে নীচু হয় এবং আরোহণ প্রক্রিয়ায় ক্ষয়জাত পদার্থ ভূপৃষ্ঠের নীচু অংশে সঞ্চিত হয়। এই দুই প্রক্রিয়ার সম্মিলিত রূপ হল পর্যায়ন। এই পর্যায়নের মাধ্যমে ক্ষয়, বহন ও সঞ্চয় কাজে ভারসাম্য আসে। অবরোহণ, আরোহণ ও পর্যায়ন—এই তিনটি প্রক্রিয়া পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। যেমন : উচ্চগতিতে নদী যখন পার্বত্য অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন ভূমির ঢাল বেশি হওয়ার জন্য ক্ষয়কাজ বেশি হয় ও ভূমির উচ্চতা হ্রাস পায়। এটি অবরোহণ প্রক্রিয়া। আবার নদীর দ্বারা ক্ষয়িত পদার্থ নদীর নিম্নগতিতে সঞ্চিত হয় ও অবনমিত স্থানের উচ্চতা বৃদ্ধি করে। একে আরোহণ বলে। এইভাবে ক্ষয় ও সঞ্চয়ের মাধ্যমে ভূমি সমতলে পরিণত হলে তা হল পর্যায়ন। অতএব অবরোহণ, আরোহণ ও পর্যায়ন—তিনটি প্রক্রিয়া পৃথক হলেও পরস্পর সম্পর্কযুক্ত।


Q5 বহির্জাত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভূমি কীভাবে সমতলে পরিণত হয়?
➛পর্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভূমি সমতলে পরিণত হয়। অবরোহণ ও আরোহণের সম্মিলিত ফল হল পর্যায়ন। অবরোহণ প্রক্রিয়ায় একদিকে যেমন উঁচু ভূমি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নীচু ভূমিতে পরিণত হয়, অপরদিকে আরোহণ প্রক্রিয়ায় নীচু ভূমিতে ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থ জমা হয়ে উঁচু ভূমিরূপ গঠন করে। এটি একটি নিরন্তর প্রক্রিয়া। আরোহণ ও অবরোহণ এই দুই প্রক্রিয়ার ফল হল পর্যায়ন। এইভাবেই ক্রমাগত চলতে থাকা এই পর্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ক্ষয়, বহন ও সঞ্চয় কাজে ভারসাম্য আসে এবং ভূমির সমতলীকরণ ঘটে—এই ভূমি হল পর্যায়িত ভূমি।

Q6. বহির্জাত প্রক্রিয়ার সঙ্গে জলবায়ুর সম্পর্ক কী?
➛ বহির্জাত প্রক্রিয়ার সঙ্গে জলবায়ুর সম্পর্ক : (i) উষ্ণ-আর্দ্র অঞ্চলে বৃষ্টির আধিক্য হেতু রাসায়নিক আবহবিকার এবং জলধারা বা নদী মুখ্য ভূমিকা নেয়। (ii) হিমমণ্ডল ও উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে উষ্ণতা হিমাঙ্কের নীচে থাকে বলে তুষারের কার্যে যান্ত্রিক আবহবিকার ও হিমবাহ ভূমিরূপ পরিবর্তন ঘটায়। (iii) মরুভূমি অঞ্চলে বৃষ্টির স্বল্পতা ও উষ্ণতার তারতম্য অধিক বলে যান্ত্রিক আবহবিকার ও বায়ুর ভূমিকা মুখ্য। (iv) কয়েকটি অঞ্চলে মরুভূমি ও মরুপ্রায়, হিমরেখাসংলগ্ন অঞ্চল) একের অধিক শক্তি যৌথভাবে কাজ করে ভূমির পরিবর্তন ঘটায়।

  Wb class 10 geography chapter 1 solutions  
অধ্যায় : ১ ➛ বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ
𒄬𒄬 বহির্জাত প্রক্রিয়া (Study নোটস)
❏ MCQ Question (Mark-1) 
❏ বহির্জাত প্রক্রিয়া (SAQ Mark-2) 
❏ বহির্জাত প্রক্রিয়া (SAQ Mark-3) 

𒄬𒄬 নদীর কাজ (Study নোটস)
❏ MCQ Question (Mark-1) 
❏ নদীর কাজ  (SAQ Mark-2) 
❏ নদীর কাজ (SAQ Mark-3) 
❏ নদীর কাজ (SAQ Mark-5) 

𒄬𒄬 হিমবাহের কাজ (Study নোটস)
❏ MCQ Question (Mark-1) 
❏ হিমবাহের কাজ  (SAQ Mark-2) 
❏ হিমবাহের কাজ (SAQ Mark-3) 
❏ হিমবাহের কাজ (SAQ Mark-5) 

𒄬𒄬বায়ুর কাজ (Study নোটস)
❏ MCQ Question (Mark-1) 
❏ বায়ুর কাজ  (SAQ Mark-2) 
❏ বায়ুর কাজ (SAQ Mark-3) 
❏ বায়ুর কাজ (SAQ Mark-5) 

No comments

Hi Welcome ....